নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে জামাল হোসেন নামের একজন নিহত ও কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে বালু মহাল নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরহোগলা বালুঘাট এলাকায় ওই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। আহতদের মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর নিহতের উত্তোজিত স্বজনরা প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। খবর পেয়ে সোনারগাঁও ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত জামালের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা ও চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিরউদ্দিনের সঙ্গে একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এর জের ধরে সোমবার দুপুরে নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে  জানে আলম, মামুন, ওহাব, সোহেল, ফিরোজ, মুকুল, সুমন, আসাদ, হান্নানসহ ৩০-৩৫ জনের একটি দল চরহোগলা বালুরঘাট এলাকায় আগ্নেআস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হারুন অর রশিদের লোকজনের উপর হামলা চালায়। পরে হারুন অর রশিদের লোকজন প্রতিহত করার জন্য লাটিসোটা নিয়ে এগিয়ে আসতে থাকলে নাসির মেম্বারের লোকজন অতর্কিত গুলি চালায়। এ সময় জামাল হোসেন, সুমন, আলমগীর ও সাইফুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই জামাল হোসেন মারা যান। নিহত জামাল উত্তর চরহোগলা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। তাছাড়া গুলিবিদ্ধ সুমন, আলমগীর ও সাইফুল ইসলাম বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছে। স্বজনদের দাবি নিখোঁজ ওই গুলিবিদ্ধ তিনজনও মারা গেছেন। তাদের লাশ নাসিরউদ্দিনের লোকজন গুম করেছে। এছাড়া সংঘর্ষে তাওলাদ, ফারুক, ইলিয়াস, পিন্টু, মুছা, কাদের, সফিউল্লাহ, বাদশাসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে তাওলাদ, ফারুক, ইলিয়াসের অবস্থা আশংকাজনক। এ ঘটনায় ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর নিহতের স্বজনরা প্রতিপক্ষ নাসিরউদ্দিনের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সোনারগাঁও থানার ওসি শাহ মো. মঞ্জুর কাদের জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/12/21/27645#sthash.NXVF2Eu0.dpufনারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে জামাল হোসেন নামের একজন নিহত ও কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে জামাল হোসেন নামের একজন নিহত ও কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর ২০১৫) দুপুরে বালু মহাল নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরহোগলা বালুঘাট এলাকায় ওই সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। আহতদের মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ঘটনার পর নিহতের উত্তোজিত স্বজনরা প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। খবর পেয়ে সোনারগাঁও ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত জামালের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা ও চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিরউদ্দিনের সঙ্গে একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদের দ্বন্দ্ব চলে আসছে।

এর জের ধরে সোমবার দুপুরে নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে জানে আলম, মামুন, ওহাব, সোহেল, ফিরোজ, মুকুল, সুমন, আসাদ, হান্নানসহ ৩০-৩৫ জনের একটি দল চরহোগলা বালুরঘাট এলাকায় আগ্নেআস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হারুন অর রশিদের লোকজনের উপর হামলা চালায়। পরে হারুন অর রশিদের লোকজন প্রতিহত করার জন্য লাটিসোটা নিয়ে এগিয়ে আসতে থাকলে নাসির মেম্বারের লোকজন অতর্কিত গুলি চালায়।

এ সময় জামাল হোসেন, সুমন, আলমগীর ও সাইফুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই জামাল হোসেন মারা যান। নিহত জামাল উত্তর চরহোগলা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।

এছাড়া গুলিবিদ্ধ সুমন, আলমগীর ও সাইফুল ইসলাম বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন। স্বজনদের দাবি নিখোঁজ ওই গুলিবিদ্ধ তিনজনও মারা গেছেন। তাদের লাশ নাসিরউদ্দিনের লোকজন গুম করেছে।

এদিকে, সংঘর্ষে তাওলাদ, ফারুক, ইলিয়াস, পিন্টু, মুছা, কাদের, সফিউল্লাহ, বাদশাসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে তাওলাদ, ফারুক, ইলিয়াসের অবস্থা আশংকাজনক। এ ঘটনায় ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর নিহতের স্বজনরা প্রতিপক্ষ নাসিরউদ্দিনের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোনারগাঁও থানার ওসি শাহ মো. মঞ্জুর কাদের জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কেবি, এমএ