বিএনপির চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়াকে জঙ্গিমাতা ও জঙ্গিবাদের মদদদাতা উল্লেখ করে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। একই অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ.স.ম হান্নান শাহ, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকেও গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ‘জঙ্গিবাদের মদদদাতা ও জঙ্গি পালনকারি বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতা হান্নান শাহ্, শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন ও রুহুল কবির রিজভীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে তারা এই দাবি করেন।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি কাজী এনায়েত, আনোয়ার হোসেন আনু, যুগ্ম সম্পাদক দিদার মো. নিজামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, আজ কারা বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে, জঙ্গি পালন করছে তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কারর। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন-দেশে নির্বাচন দিলেই নাকি সকল জঙ্গিবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। খালেদা জিয়ার এই বক্তব্যের জেরে ছাত্রলীগ সভাপতি ছাত্রসমাজের কাছে প্রশ্ন রাখেন- তাহলে আপনারাই বলুন কারা এই জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত? বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যেই তা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে বিএনপিই এই জঙ্গিবাদের মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষণকারী। বিএনপির নেতা হান্নান শাহ্, শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, রুহুল কবির রিজভী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে জঙ্গিবাদকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই তাদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান তিনি।
সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আইনের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল। জঙ্গিবাদের মদদদাতা ও জঙ্গি পৃষ্ঠাপোষণকারী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ, শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, হান্নান শাহ্ ও রুহুল কবির রিজভী যে ভাবে জঙ্গিদের পক্ষে অবলম্বন করে দেশবাসীর ও ছাত্র সমাজকে বিভ্রান্তি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তা ছাত্রসমাজ কখনো মেনে নেবে না। যদি ছাত্র সমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের উপর কোন ধরনের হামলা চালায় তার দায়ভার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কখনো নিবে না।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এমআইএস





