খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, ক্যাম্পাস ক্লিনিংয়ের সঙ্গে ছাত্রলীগেরও সংস্কার করতে হবে। গড়তে হবে সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস। এ দায়িত্ব পালন করতে হবে ছাত্রলীগকেই।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী (১-৭ ডিসেম্বর) ‘ক্লিন ক্যাম্পাস অ্যান্ড সেফ ক্যাম্পাস’কর্মসূচির অংশ হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ক্যাম্পাস ক্লিনিং কর্মসূচির উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্রলীগ যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত তারই প্রতিফলন ঘটেছে। বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চায়। সরকার শুধু দেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখেনি, পদ্মাসেতু তৈরির কার্যক্রম, সমুদ্রের তলদেশ থেকে সম্পদ আহরণসহ নানা ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
২০২১ সালের মধ্যে সরকারের বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাস পরিষ্কার শুধু একদিনের জন্য নয়। সুস্থ থাকার জন্য যেমন নিজেদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়, তেমনি ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবার সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এফ এম শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. পরিমল বালা এবং নীল দলের সভাপতি অধ্যাপক মো. আশরাফ-উল-আলম।
এসময় ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও ছাত্র-কল্যাণ পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমদ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি জয়দেব নন্দী, সহ-সম্পাদক পি এম আনোয়ার হোসেন, ছাত্রনেতা, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেএ





