জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন বিরোধীদলের নেতা রওশন এরশাদ। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সময় কোথায় দাঁড়াবেন তা বুঝতে পারছিলেন না।
এসময় তিনি দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলুকে বলেন, 'আমরা দাঁড়াবো কোথায়? এই বাবলু, তুমি কথা বলো ওদের সাথে। আচ্ছা, এখানে আমাদের জায়গাটা কোথায়?’
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথমে রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্ত্রী ও তারপর বিরোধীদলীয় নেতা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তবে এবার মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিসৌধে পৌঁছে বিপাকে পড়েন বিরোধীদলের নেতা রওশন এরশাদ।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর আগেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছেন প্রধান বিচারপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনী প্রধান, কুটনীতিকসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।
অবশ্য সেখানেই পৌঁছেই সাবেক রাষ্ট্রপতির প্রটোকলে স্পিকারের বেশ পাশেই অবস্থান নেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। তাকে স্পিকার ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তাদের সারির মাঝিমাঝিতে দেখা যায়।
এ পরিস্থিতির মধ্যে রওশন এরশাদ সামনে থাকা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর কাছেও জানতে চান, কোথায় দাঁড়াবেন!
জবাবে আমু বলেন, ঘোরাঘুরি না করে যেখানে আছেন, সেখানেই দাঁড়িয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী এসে গেলে পরে এ জায়গাটুকুও পাবেন না! অত:পর, নির্দিষ্ট বেষ্টনীর বাইরে অবস্থান নেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।
এআর





