জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের মরদেহ নামাজে জানাজার জন্য জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আনা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টার দিকে লাশবাহী গাড়িটি বায়তুল মোকাররমে পৌঁছেছে।

 

বাদ জোহর মসজিদের উত্তর গেটে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় ইমামতি করবেন ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমান আযমী। ইতিমধ্যে বায়তুল মোকাররমে জড়ো হয়েছেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ।

 

এর আগে দুপুর ১২টার পর মগবাজারের বাসা থেকে বায়তুল মোকাররমের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক গোলাম আযমের লাশবাহী গাড়ি যাত্রা শুরু করে। গাড়ির বহরে আত্মীয়স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

 

নামাজে জানাজা শেষে মগবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে অধ্যাপক গোলম আযমকে দাফন করা হবে।

 

এদিকে নামাজে জানাজা ঘিরে বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ রাজধানীতে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শনিবার সকাল থেকে পুলিশের পাশপাশি র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার বিপুলসংখ্যক সদস্যকে মাঠে রাখা হয়েছে।

 

তবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দৈনিক বাংলা মোড় থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট পর্যন্ত ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে থাকে।

 

কে বা কারা এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা পুলিশ জানাতে পারেনি। তবে একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।

 

জামায়াত নেতাদের দাবি, অধ্যাপক গোলাম আযমের মরদেহ বায়তুল মোকাররমে আনতে বাধা দেয়ার জন্যই পরিকল্পিতভাবে এই ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তারা এজন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেন।

জেএ