বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুত সংযোগ পুন:স্থাপনের জন্য সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছে যুক্তরাজ্য বিএনপি। একইসঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভির মুক্তি দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার গভীর রাতে (বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায়) ইস্ট লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে জরুরী সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতারা এ আল্টিমেটাম দেন। দাবি না মানলে বাংলাদেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেমিটেন্স স্ট্রাইক কর্মসূচি পালন করবে বলে তারা হুশিয়ারি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এই দুটি দাবি বাংলাদেশ সময় ৩১ জানুয়ারি বেলা ১২টার মধ্যে পূরণ না হলে বাংলার ১৬টি কোটি মানুষ শুধু অবরোধ নয়, শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলনে যাবে। যুক্তরাজ্যসহ সারা বিশ্বের প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করার মাধ্যমে এই অসহেযাগ কর্মসূচিতে শামিল হবেন।
সকল প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আপনারা রেমিটেন্স স্ট্রাইক কর্মসূচির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যা ব , বিজিবি, শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তার, পেশাজীবী, শ্রমজীবী, সাধারণ মানুষ সবাই বাকশালী শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে অসহযোগ কর্মসূচি পালনের জন্য প্রস্তুতি নিন।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের পানি ও ইলেকট্রিসিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রমাণ করেছে শেখ হাসিনার অবৈধ সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। প্রবাসী সব বাংলাদেশী এবং বাংলার ১৬ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য বিএনপি এহেন ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
আরো উল্লেখ করা হয়, একইসময়ে রাত পৌনে তিনটার দিকে চলমান গণআন্দোলনের লড়াকু সৈনিক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি আহমেদকে বারিধারার একটি বাসা থেকে ঘুম থেকে টেনে তুলে নিয়ে গেছে র্যাাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যা ব। অসুস্থ্য এই নেতার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করে যুক্তরাজ্য বিএনপি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল হামিদ চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, আখতার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মামুন, সহসাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক জসীম উদ্দীন সেলিম, দপ্তর সম্পাদক ড. মুজিবুর রহমান, যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাসির আহমেদ শাহীন, সদস্য সচিব আবুল হোসেন, জাসাস সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন দিপু, আবদুল বাসিত বাদশা, কামাল চৌধুরী, দেওয়ান আবদুল বাসিত, রহিম উদ্দিন, হেভেন খান, আফজাল হোসেন, মাওলানা শামীম, এসএম লিটন, আবুল হাসনাত রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেএ





