“বেগম জিয়ার প্যারোলে মুক্তি চায় না বিএনপি। নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে” বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তি’র দাবিতে আজ (০৭ এপ্রিল) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গনঅনশনে অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল এইসব কথা বলেন। অনশন কর্মসূচি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।  

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “যেকোনো মূল্যেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সেই মুক্তি আন্দোলনে আমাদের অবিলম্বে শুরু করতে হবে।”

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, “পরিষ্কারভাবে বলেছি- যে জামিন পাওয়াটা তার অধিকার। যে মিথ্যা মামলায় তাকে জোর করে সাজা দেওয়া হয়েছে, সেই মামলায় অন্যান্য ব্যক্তিরা জামিনে রয়েছেন।”

অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, “আইন অনুযায়ী বেগম জিয়াকে দ্রুত মুক্ত করা সম্ভব না। আন্দোলনের মাধ্যমেই বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। সরকার যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি করেছে তা কখনো থাকবে না। জনগনই সেই শূন্যতা পূরণ করবে।”

গণঅনশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমেদ বীরবিক্রম, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসানসহ জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও বিএনপির অনশনে একাত্মতা প্রকাশ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারাও যোগ দেন ওই কর্মসূচিতে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকেদুদকের মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন ৭৪ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তবে সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এমবি