পুলিশ কর্তৃক নিহত শিবির নেতা এমদাদ উল্লাহর জানাযা থেকে তিন শিবির কর্মীকে আটক করে মোহাম্মদপুর থানা থেকে মিরপুর থানায় নিয়ে যাওয়ায় তাদের উপর নির্যাতন ও বিচার বহি:র্ভূত হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
এক যৌথ প্রতিবাদ বাতায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, শিবির কর্মী আরিফুল্লাহ, মাসুদুর রহমান ও তোফায়ের আহমেদ জানাযায় শরীক হতে গেলে লালমাটিয়া বিবি মসজিদ এলাকা থেকে জানাযার আগ মুহুর্তে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে মোহাম্মদপুর থানার এস আই মিন্টু জানান তারা মোহাম্মদপুর থানায় আছে। কিন্তু পরে মোহাম্মদপুর থানার এস আই মিন্টু ফোন করে অভিভাবকদের জানান মিরপুর থানার ওসি সালাহউদ্দিন রাত ১০টায় তাদের মোহাম্মদপুর থানা থেকে মিরপুর থানায় নিয়ে গেছে। এখন মিরপুর থানা থেকে তাদের কোন খোঁজ খবর দেয়া হচ্ছেনা।
শিবিরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মিরপুর থানার ওসি সালাউদ্দিনের এই আগবাড়ীয়ে নিয়ে যাওয়ায় অভিভাবকদের মনে শঙ্কা জেগেছে যে তাদের উপর নির্যাতন হতে পারে এমনকি তারা বিচার বহি:র্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হতে পারেন।
শিবির নেতারা বলেন, যেখানে পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা দিবে সেখানে তারাই জনজীবনকে অনিরাপদ করে তুলেছে। শনিবার রাতে বন্দুকযুদ্ধের নামে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে শিবির নেতা এমদাদ উল্লাহকে। আর একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ শিবির কর্মীকে। জানাযা থেকে শিবির কর্মীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ যে অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই।
বিবৃতিতে শিবির সভাপতি ও সেক্রেটারি আরও বলেন, আমরা হুশিয়ার করে বলতে চাই, অবিলম্বে নিরাপরাধ ৩ ছাত্রকে ছেড়ে দিতে হবে। তাদের সামান্যতম ক্ষতি হলে গ্রেপ্তারকারীরা দায় এড়াতে পারবে না। বার বার ছাত্রদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করা হলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এমন অন্যায় গ্রেফতার থেকে বিরত থাকতে এবং গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতেও প্রসাশনের প্রতি আহবান জানান।
কেবি





