খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার ঘটনাকে গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত মন্তব্য করে সরকারের এমন আচরণে তীব্র নিন্দা জানান বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেগম জিয়ার গুলশান অফিসে তার সাথে দেখা করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তবে সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে বেগম জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে দেয়নি পুলিশ। পরে তিনি পুলিশের অনুরোধে বেগম জিয়ার কার্যালয়ে প্রবেশ না করেই ত্যাগ করে চলে যান।
এসময় তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলে বিরোধী দলের সাবেক নেত্রীকে এমনভাবে আটক করে রেখেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ৫ জানুয়ারীর গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান বি চৌধুরী।
এর আগে হঠাৎ করে গুলশান অফিসের সামনে মিছিল করে বিএনপির অংগ সংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল। পুলিশি বাধায় মহিলা দলের মিছিল পণ্ড হয়ে যায়।
সেখান থেকে পুলিশ মহিলা দলের নেত্রী ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ, ড. আরিফা জেসমিন, এ্যাডভোকেট এলিজা আক্তার, নাসরিন আক্তার ও লাইলি বেগমকে আটক করে। এছাড়াও বেগম জিয়ার গুলশান অফিসের সামনে থেকে চার বিএনপি কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
অন্যদিকে বেগম জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন, মেজর অব. মান্নান, ঢাবির শিক্ষক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার। যদিও পুলিশে তাদের কাউকে বেগম জিয়ার গুলশান অফিসে প্রবেশ করতে দেয়নি।
উল্লেখ্য, গতরাতে পৌঁনে ১২টার দিকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে বের হয়ে পল্টনে যাওয়ার পথে আটকে দেয় গুলশান থানা পুলিশ। এসময় বেগম জিয়ার সাথে আটকা পড়েন দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফা, সাধারন সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাবেক এমপি সৈয়দা আসিফা আশরাফ পাপিয়া।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান অফিসের সামনের রাস্তা পুলিশের গাড়ি দিয়ে দুপাশ থেকে আটকে দেয়ে পুলিশ। সকাল থেকে বেগম জিয়ার অফিসে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এমনকি সাংবাদিকদের ও প্রবেশ করতে দেযনি বেগম জিয়ার কার্যালয়ে।
এমএইচ/ এআর





