বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক রাষ্ট্র পাওয়ার জন্যই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম।

কিন্তু দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরেও আমাদেরকে সেই গণতন্ত্রের জন্য সোচ্চার হতে হচ্ছে। চিৎকার করতে হচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য প্রাণ দিতে হচ্ছে আমাদের ছেলেদের। তাই গণতন্ত্র ফেরানোর জন্য আমাদের শপথ নিতে হবে।'

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে সোয়া ৩টায় রাজধানীতে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করে এ সব কথা বলেন তিনি।

দলের নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয় এই শোভাযাত্রা।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'আজ আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা নেই। গোটা সমাজে কোনো মানুষেরই নিরাপত্তা নেই। আমাদের বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিকে বর্গিদের মতো লুট করে নেওয়া হচ্ছে। এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আমরা স্বাধীনতা দিবস পালন করছি।'

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, 'এই র‌্যালির মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীকে এই বার্তা পৌঁছাতে চাই যে, একাত্তর সালে আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম। অথচ আজকে সেই গণতন্ত্র দেশে অনুপস্থিত।'

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, আবদুস সালাম আজাদ, শিরিন সুলতানা, কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন।

শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে কাকরাইল মোড় ও শান্তিনগর হয়ে মালিবাগ মোড়ে গিয়ে ৪টা ২৫ মিনিটে শেষ হয়।

সমাপনী বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়তে নেতাকর্মীদের আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।

মিছিলের সামনে ও পেছনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

ওএফ