স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে সাধারণ মানুষের তথ্য সংগ্রহের অধিকার রয়েছে এবং সে জন্য ইউনিয়নের ওয়েবসাইটকে তথ্য নির্ভর করা হয়েছে। যদি কেউ তথ্য সরবারাহ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

বুধবার দুপুরে জাতিয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে মানুষের জন্য এনজিও কর্তৃক আয়োজিত 'তথ্য অধিকার আইন ও প্রান্তজন- বান্ধব সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী' কর্মসূচী শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, সারাদেশে ৪ হাজার ৭০০ জন নির্বাচিত ইউনিয়ন কাউন্সিলর রয়েছে। জনগণ চাইলে এই সকল কাউন্সিলরের মাধ্যমেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

কেউ যদি মনে করে ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবসাইটে উন্নয়নমূলক বা যে কোন তথ্য দেওয়া হয়নি তাহলে ওই ব্যাক্তি যদি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে তা সমাধান করা হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ জনগণকে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সারাদেশে ৯৮৬ টি মামলা করা হয়েছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে ৯৫০ টি মামলার সমাধান করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের নিম্নবিত্ত পরিবারের বসবাসের জন্য প্রতিটি উপজেলায় ৪ তলা বিশিষ্ট কমপ্লেক্স ভবন তৈরি করা হবে। যেখানে ২৭২ টি পরিবার একসঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

তারা সেখানে গরু, ছাগল, হাস, মুরগি ইত্যাদির খামার করার সুযোগ থাকবে। এই পরিবারগুলোর কর্মসংস্থানের জন্য সরকারি অর্থায়নে খামারগুলো তৈরি করা হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, এ্যামেরিটার্স ফ্যালো সমুন্নয়ের খন্দকার ইব্রাহীম খালেদ, তথ্য কমিশনার গোপাল চন্দ্র সরকার, প্রজেক্ট কোঅরডিনেটর, সমুন্নয় দিলরুবা ইয়াসমিন চৌধুরী প্রমুখ।

এমকে