ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক টেকসইয়ের জন্য মোদিকে উভয় দেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিল বিএনপি।

সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকের সময় বিএনপির পক্ষ থেকে এই পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

রোববার বিকালে হোটেল সোনারগায়ে মোদি-খালেদার বৈঠকের পর বিএনপির স্থায় কমিটির সদস্য মঈন খান সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, মোদির সঙ্গে বৈঠকে খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতে সরকার আসবে, সরকার যাবে। কিন্তু দেশের জনগণ, দেশেই থাকবে। তাই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। তাহলেই এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক টেকসই হবে।

মঈন খান আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে মোদিকে অবহিত করা হয়েছে, বাংলাদেশে যদি গণতন্ত্র না থাকে তা কেবল বাংলাদেশ নয়, সেটি সমগ্র এশীয় অঞ্চলের জন্য অস্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। ‘আমরা একটি গ্লোবাল ভিলেজে বাস করি। কাজেই নিজের পরিমন্ডলে আমি শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকবো, অন্য কেউ সমস্যা সৃষ্টি করবে না এটি হতে পারেনা।

তিনি আরও বলেন, আমরা দ্বিপাক্ষিক ইস্যু ছাড়াও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি।

এছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দেশের পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণসহ নানা অসঙ্গতি নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খাঁন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দীন আহমেদ ও রিয়াজ রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ