জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তুলারমাকে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের নেতারা।আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকালে এক সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে এ দাবি জানান নেতারা।
আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির ১৭ তম বর্ষ পালনের প্রতিবাদ এবং এ চুক্তি বাতিলের দাবিতে পাহাড়ের মানবাধিকার সংগঠন সমঅধিকার আন্দোলনের উদ্যোগে পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে একই সংঙ্গ নানা কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
রাজধানীতে মানববন্ধন কর্মসূচিতে যোগদান করেন সংগঠনের মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, বাংলাদেশ ইসলামীক পার্টি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা সিলেট বিভাগ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট আবেদ রেজা,সমাজকর্মী জাহাঙ্গীর কামাল, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সর্দার সাহাদাত হোসেন,সমঅধিকার নারী আন্দোলন নেত্রী রওশন-আরা-সুরমা, ছাত্র নেতা প্রকৌশলী ফেরদৌস মানিক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
নেতারা বলেন, সন্তুলারমার সন্ত্রাসী শান্তিবাহিনী সদস্যরা ১ মে থেকে অসহযোগ আন্দোলনে হুমকি দিয়েছে। তারা কথায় কথায় অস্ত্র ধরার হুমকি দেয়। জুমল্যান্ড দাবী না মানলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অসহযোগ অন্দোলনের ভয় দেখায়। দেশের ১৬ কোটি মানুষ সন্তুলারমার এ আস্ফালনকে তীব্র ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছেন।
মানববন্ধনে নেতারা বলেন, এপর্যন্ত পাহাড়ে বর্বর সন্তুলারমার বাহিনীর হামলায় নিহত ৩০ হাজার পার্বত্যবাসী বাঙালী।
মানববন্ধনে সমঅধিকার আন্দোলনের ৯ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরন, কালোব্যাজ ধারন ও কালোপতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে।দীর্ঘ ১৭ বছরেও পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধ, চাঁদাবাজী, মুক্তিপন আদায় ও রাষ্ট্রদ্রোহী সশস্ত্র সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি।
তারা বলেন,শান্তিচুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন করে সন্তু লারমাদের হাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। জাতি যে কোন মূল্যে দেশের অখন্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করবে এবং রাষ্ট্রদ্রোহী সশস্ত্র সন্ত্রাস প্রতিহত করবে।
একে,





