শফিকুর রহমান বলেন, ইসি ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতর সব ধরনের রেকর্ডিং বা ক্যামেরা, মোবাইল- সবকিছুকে নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তাদেরকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই- জুলাইয়ে সেই অপকর্ম যেমন মেনে নেওয়া হয়নি, আজকেও মেনে নেওয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
একই সমাবেশে নাহিদ ইসলামের ঘোষণা স্মরণ করিয়ে দেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার আগেই যদি এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে জনগণকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া না হয়, নির্বাচনি প্রক্রিয়া ভণ্ডুল করার জন্য জটিলতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হবে। আর তার সমস্ত দায়ভার তাদেরই নিতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি- জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে পড়ে নাই। তারা এখনো জেগে আছে। তাদের সমস্ত অপকর্ম ইনশাআল্লাহ আমরা প্রতিহত করে দেব। জনগণের ভোট আবার কেউ ছিনতাই করবেন- এই দুঃসাহস দেখাবেন না। এই দুঃস্বপ্নে ভুগবেন না।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, যদি আবার ফ্যাসিবাদের দিকে দেশকে ঠেলে দেওয়ার কেউ দুঃসাহস করেন, জুলাইয়ে যেমন ফ্যাসিবাদে রুখে দেওয়া হয়েছে, আগামীতেও রুখে দেওয়া হবে।
এস