ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে নেয়া মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বাতিল ও নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে একের পর এক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ২০১৫-২০১৬ শিক্ষা বর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ পায় যা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। পুলিশ প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের কয়েক জনকে গ্রেফতারও করে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপরও ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার ফলাফল কিভাবে গ্রহণ যোগ্য হতে পারে তা জাতির কাছে বোধগম্য নয়। পরীক্ষার পর থেকেই ছাত্ররা ভর্তি পরীক্ষা বাতিল ও সঠিক প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু তাদের যৌক্তিক দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে আজ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে গৃহীত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে সরকার চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়াকে বৈধতা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে সরকার হাজারো মেধাবীর স্বপ্নকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের সীমাহীন শ্রম ও মেধার এমন অবমূল্যায়ন জাতি এর আগে কখনো দেখেনি। ছাত্রশিবির মেধাবীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অমানবিক আচরণের নিন্দা জানায়।
নেতৃবৃন্দ, একের পর এক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকার প্রত্যক্ষ মদদ আছে অভিযোগ করে বলেন, গুটি কয়েক অসৎ ব্যক্তির স্বার্থের কাছে হাজারো মেধাবীর ভবিষ্যৎ বিকিয়ে দেয়ার এই অপতৎপরতা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্রে নেয়া ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে নতুন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ সেই সাথে ভবিষ্যতে যেন প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা আর না ঘটে তার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।
কেএইচ





