১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বাধীনতা পায় নি। জীবনের নিরাপত্তা পায়নি। বর্তমান সরকার রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় দেশে গুম, খুনের ঘটনা ঘটছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আয়োজিত এক মানবন্ধনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা এসব কথা বলেন।
সারাদেশে গুম, খুন, অপহরণ ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রেসিডিয়াম সদস্য হযরত মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী বলেন, মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই, খুন হচ্ছে, গুম হচ্ছে মানুষ। দেশে এখন উপজেলা চেয়ারম্যান খুন হচ্ছেন, আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটছে। নারায়ণগঞ্জে ৭টি মানুষকে অপহরণ করে পরে নৃশংসভাবে হত্যা করেও সরকারের টনক নড়ছে না।
তিনি বলেন, সরকার ইতোপূর্বের সব অপকর্মের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গণতন্ত্রের লেবাস ধরে অগণতান্ত্রিক কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় নৌ দুর্ঘটনার কারণে সে দেশের সরকার পদত্যাগ করলেও আমাদের দেশের সরকার প্রধান ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নির্লজ্জভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন এসব বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া কিছু নয়।
তিনি বলেন, ইসলামীক ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠানে শামীম মোহাম্মদ আফজালের মতো লোককে মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তিনি কোরআনের কিছুই জানেন না। তিনি সব কিছুতেই মওদুদীর গন্ধ খুঁজে পান। অবিলম্বে তাকে সরিয়ে দেয়ার দাবি জানান শামীম।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, দল মত নির্বিশেষে এখন সব শ্রেণীর মানুষ সরকারের রোষাণলে। সাগর-রুনির হত্যাকারীদের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের কথা বলে ২ বছর পেরিয়ে গেল কিন্তু মূল হোতাদের গ্রেফতার করতে পারে নি সরকার। নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের হোতা নূর হোসেনকে পালাতে সহায়তা করে এখন অভিনব অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অপকর্মের কারণে জনগণের কাঠগড়ায় সরকারকে জবাব দিতে হবে।
এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো যোগ্যতা নেই। অবিলম্বে তাদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সাপের মতো হবেন না। ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হবার আগেই চরিত্র বদলান। নইলে সাপ যেমন মরার পরে সোজা হয় তেমনি ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হলে শায়েস্তা হবেন।
আজ সবর্ত্র বিদ্রোহের আভাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ। এই ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করা উচিত। জোর করে ক্ষমতায় থাকার চিন্তাও করবেন না। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচন দিন। আমরা নির্বাচনে অংশ নেবো। অন্যথায় সারাদেশে তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন এ নেতা।
মানবন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-হাজ্ব আব্দুর রহমান, শ্রমিক আন্দোলনের ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগরের সভাপতি তালুকদার তরিক মাসুদ।
[b]ঢাকা, জেইউ, ২৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]
রাজনীতি
রক্ষক এখন ভক্ষকের ভূমিকায়- ইসলামী আন্দোলন
১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বাধীনতা পায় নি। জীবনের নিরাপত্তা পায়নি। বর্তমান সরকার রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় দেশে গুম, খুনের ঘটনা ঘটছে





