বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ২৯ মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা আরেকটু সাহসী ভূমিকা নিয়ে রাজপথে নামলে  বিগত ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হত না। এখন সেই ভুলের মাশুল আমাদেরকে দিতে হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ছাত্রদল আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার করে নিলেও বিএনপি চেয়ারপারসনসহ আমাদের নেতাকর্মীদের নামে প্রতিনিয়ত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। কিন্তু দেশের কোনো মানুষ বিশ্বাস করে না যে, জিয়া চ্যারিটেবল ফান্ডের কোনো টাকা খালেদা জিয়া আত্মসাৎ করছেন। আদালতের ন্যায় বিচারের মাধ্যমে একদিন সেই সত্য প্রতাশিত হবে।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ৬২ সালে আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা হয়েছিল। তখন একমাত্র মওলানা ভাসানী ছাড়া কেউ আমার পাশে দাড়ায়নি। কিন্তু আমি সৎসাহস নিয়ে এর মোকাবিলা করেছি।
বিএনপির এই নেতা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা মাঠে থাকুন। সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হোন। আমি আপনাদের পাশে থাকব। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের যে কোনো মামলার আইনী লড়াইয়ে আমি অবতীর্ণ হব। তবে এজন্য কোনো টাকা-পয়সা লাগবে না।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধূরী আবেদের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শামছুজ্জামান দুদু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধূরী এ্যানী, সহ-ছাত্রবিষয় সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু প্রমুখ।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ৯এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ
[/b]