সিলেটের এম সি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে উল্লেখ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ বার্তায় তিনি এই কথা বলেন।
কলেজ ছাত্রাবাস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কীভাবে সেখানে অবস্থান করে প্রশ্ন তুলে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, এই ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন দায় এড়াতে পারে না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন ওই তরুণী। ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী মিলে স্বামীসহ ওই তরুণীকে তুলে নেয় কলেজ ছাত্রাবাসে। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে বধূকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন।
মামলায় এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে ৬ জনকে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র।
এমবি





