আওয়ামী লীগ অতীতেও নির্বাচন না দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করছে কিন্তু তার ফল ভালো হয়নি এমন দাবী করে বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবদিন ফারুক বলেছেন, এখনও বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালের আগে নির্বাচন হবে না। কোন দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শোনা যাবে উনিও (শেখ হাসিনা) আর নেই। কিন্তু আমরা তা চাই না। আমরা চাই তিনি সুস্থভাবে রাজনীতি করুক।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ইসলামী ছাত্র সমাজ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের গণ আন্দোলন ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,দোয়া করি,শেখ হাসিনা হাজার বছর বেঁচে থাকুক। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার তার চেয়ে খারাপ করে, না আরও ভালো করে দেশ চালাবে তা দেখার জন্য আমি তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে কে বড়, কে ছোট তা দেখার সময় নেই। গণতন্ত্রের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে ছাত্রসমাজকে অগ্রনী ভূমিকা নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
সরকার দেশের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘একের পর এক পরিবর্তন এনে সংবিধানকে ছোট করে ফেলা হয়েছে। এখন কথা বলতেও সংশয় লাগে। কারন কোন কথার প্রেক্ষিতে কিভাবে মামলা হয়ে যাবে তা কেউ বলতে পারেনা।’
আওয়ামী লীগ বাম রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, অতীতে যারা শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে, তারাই এখন বর্তমান সরকারকে উপদেশ দিচ্ছে। ৬০ বছরের পুরোনো দল আওয়ামী লীগকে বামদের দ্বারা নষ্ট না করার পরামর্শ দেন তিনি।
বিএনপির আন্দোলন নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশ্য করে ফারুক বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কৌশল কেউ ধরতে পারবে না। তিনি জানেন, কখন কি করতে হয়। হতাশ না হতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান জয়নাল আবদিন ফারুক।
আয়োজন সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস আতহারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারনে তিনি বক্তব্য না দিয়েই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার অনেক আগেই চলে যান। অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামী ইসলামি পার্টির সভাপতি এ্যাড. মাওলানা আবদুর রকিব, মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী প্রমূখ।
ঢাকা, এমএইচ, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





