উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিনের জন্য (যাতায়াত সময় ছাড়া) সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা ও নৌ) সদস্য মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করার পর সেনবাহিনীর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে সশস্ত্র বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক,বিজিবির মহাপরিচালক,র্যা ব,আনসার-ভিডিপি, কোস্টগার্ড,এনএসআই,এসবি ও ডিজিএফআইয়ের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া নির্বাচনে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি,কোস্টগার্ড,র্যা ব ও পুলিশ সদস্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘটে যাওয়া ব্যাপক সহিংসতা ও সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কমিশন এসব প্রস্তুতি নিয়েছে।
বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি। অর্থাৎ ১৭ থেকে ২১ ফেব্রুারি পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় তারা অবস্থান করবেন। তাদের কার্যপরিধি হবে জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবেন।