জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা বানাতে ও মারতে গিয়ে গ্রেফতার, আহত, এমনকি নিহত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তা আড়াল করার জন্য আবোল-তাবোল বক্তব্য রাখছেন।
সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয় ও খামারবাড়িতে আয়োজিত দু’টি সমাবেশে ‘বিএনপি-জামায়াত জোট নাশকতার জন্য পেট্রলবোমার পরিবর্তে এখন গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করছে’ মর্মে উদ্ভট ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য রেখেছেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার যে, তার দলের লোকেরাই পেট্রলবোমা হামলা চালাতে গিয়ে বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ কুমিল্লা, ফেনী, বগুড়া, ঢাকা, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ধরা পড়েছে। সম্প্রতি বোমা বানাতে গিয়ে তার দলের দুই জন লোক নিহত হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বারবার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বোমাবাজ ও নাশকতা সৃষ্টিকারীদের সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছি। এমনকি বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে আমরা সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছিলাম। কিন্তু তা না করে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ঢালাওভাবে জামায়াত-বিএনপিকে দায়ী করে চলেছেন। তার এই বক্তব্য অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক। আমরা তার অসত্য বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি সরকারের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী মীরপুরে চারজন ও ঝিনাইদহে দুই জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। প্রতিদিনই খুন হচ্ছে মানুষ। দেশে চলছে মানবিক বিপর্যয়। আইন আছে, আদালত আছে, কিন্তু আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। প্রতিপক্ষকে অত্যন্ত নির্দয় ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হচ্ছে। সরকার দেশকে জঙ্গীবাদী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।
কেএইচ





