আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার অনুভূতি লালন করে রুকনদেরকে সত্যের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াতে হবে। বিপদাপদ, দুঃখ-কষ্ট বরণ করে জালিমের জুলুমের মুখেও জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্বর ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজায় অব্যাহতভাবে আক্রমণ চালিয়ে মানবতা ধ্বংস করছে।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলার বার্ষিক রুকন সম্মেলন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মেলনের বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম।
তিনি ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আরো বলেন, ইসরাইলের অমানবিক ধ্বংসাত্মক তৎপরতার বিরুদ্ধে বিশ্ব বিবেককে ন্যায্য ভূমিকা পালন হবে।
বিশেষ অতিথি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম বলেন,‘বিগত সময়ের মত আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখার জন্য সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। রুকনদেরকে নৈতিক মান উন্নত করতে হবে। দাওয়াত ও গণসংযোগ অভিযানে সর্বস্তরের মানুষের কাছে যেতে হবে। একামতে দ্বীনের দাওয়াত ও সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
সম্মেলনে দারসুল কুরআন পেশ করেন ঠাকুরগাও জেলা আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম। বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডক্টর খাইরুল আনাম ও অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুস সাত্তার।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি





