বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, তারেক রহমানকে দলের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়া হোক। যেটি তিনি পালন করবেন। তাতে দলের নেতাকর্মীরা আরো উৎসাহিত হবে।

তিনি বলেন, দলের আসন্ন ৬ষ্ঠ কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানো হবে।কাউন্সিল নেতা বানানোর জায়গা নয়, বর্তমান অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জাতির আকাক্সক্ষাকে বাস্তবায়ন করার মঞ্চ।

শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব বলেন।

যুবদল আয়োজিত দোয়া মাহফিলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্বাচন করতে অতীতে ভুল করেন নাই এখনও করবেন না।

বিএনপির বিগত দিনের কর্মসূচিতে যারা সরকারের নির্যাতন স্বীকার করেও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন তারাই এ কাউন্সিলে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবনে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিগত আন্দোলন- সংগ্রামে নিষ্ক্রিয়, পলাতক ছিল, সেই সব চাটুকারেরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য বেশি সক্রিয়। এরা কখনও দলের বন্ধু হতে পারে না। এরা দলের জন্য মারাক্ত হুমকি স্বরুপ। এদের বিরুদ্ধে হাই এন্টিবায়োটিক দিতে হবে।

গয়েস্বর চন্দ্র বলেন, নেত্রীর সামনে এখন যারা প্রতিদিন চেহারা দেখাচ্ছেন, ধরণা দিচ্ছেন বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি। যার দলের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সঠিক দায়িত্ব পালন করেন তারা নেতানেত্রীর সামনে গিয়ে চেহারা দেখানো ও ধরণা দেখানোর সময় পান না।

আশা করি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন নেত্রী তাদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।

তারেক রহমানকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতেই সাধারণত সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে থাকেন। খালেদা জিয়া বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে দায় দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে যাচ্ছেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, যুব দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম আজাদসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমই