মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনিত ১৪টি অভিযোগের মধ্যে মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে তাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। আর ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯, ১০ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে সর্বমোট ৭২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বাকী ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি ওবাইদুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম।

এর আগে রোববার সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে ৩৫১ পৃষ্ঠার এই রায়ের সারসংক্ষেপ পড়া শুরু হয়। এর আগে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানা থেকে এজলাসে নেয়া হয় মীর কাসেম আলীকে। ওই দিন সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে কারাগার থেকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকালে মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় (দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এমআর/ এআর