ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোষ্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ কয়েকজন কর্মী আহত হয়।  

রোববার (১৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় সদর উপজেলা রুহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হামলায় ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত।

আবু সায়েম পরাগ বলেন, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোষ্টার লাগালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা তা ছেঁড়ে ফেলে এবং বাধা প্রদান করে। পরে তারাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে মাথা ফেটে যায়।

বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোস্টর লাগালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন ছেলে তা ছিঁড়ে ফেলে। এতে তারা কয়েকজন প্রতিবাদ করলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে,  সদর উপজেলা রুহিমানপুর মাদার গঞ্জ এলাকায় ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ স্থানীয় কর্মীসহ বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোষ্টার লাগাতে গেলে একই এলাকায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মী বাধা প্রদান করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়।  

তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,  নির্বাচনে আওয়ামীলীগের উপর দায় চাপানোর জন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করছে। আমরা বিএনপির প্রার্থী পোষ্টার লাগানোর বিষয়ে কোন বাধা প্রদান করি না। তাদের অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

ঠাকুরগাঁও জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু জানান, প্রতি নিয়ত আওয়ামীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও বাধা প্রদান করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সজাগ রয়েছি। 

হাসেম/এমবি