বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ ভোটের আগের রাতেই ব্যালট পেপারে সিল মেরে রাখবে বলে যে আশঙ্কার কথা বলেছিলাম, সেই আশঙ্কাই সত্যে পরিণত হলো।
নিশ্চিত পরাজয় জেনে আওয়ামী লীগের ক্যাডার’রা দেশব্যাপী ভোট কেন্দ্রগুলোতে নৌকায় সিল মারছে। সন্ধ্যা রাত থেকেই শুরু হয়েছে নৌকা প্রতীকে সিল মারা। এ অবস্থায় নীরব না থেকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে দ্রুত জনসমাগম বাড়িয়ে ভোট চুরি ঠেকানোর জন্য ধানের শীষের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের আহ্বান জানাচ্ছি।
শনিবার দিবাগত রাত ১০টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রিজভী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শোনা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীনরা রাতেই ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্সে রাখছে। এজন্যই ধানের শীষের অনেক প্রার্থীকে তাদের নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী ক্যাডার’রা।
এদিকে, ঢাকা-৫, জামালপুর-৩, কিশোরগঞ্জ-৪, নেত্রকোণা-৩, ফরিদপুর-৩, ফরিদপুর-১ ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা সিল মারছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, কোনভাবেই আওয়ামী লীগ তার বিজয়ের অঙ্ক মেলাতে পারছে না। তাই রাতের অন্ধকারে ব্যালটে সীল মেরে ভোট ডাকাতি শুরু করেছে। এদের কাপুরুষোচিত কাজে ভয় পাবেন না। মনে রাখবেন, "ভয় পেলেই শেষ, আর ভয়কে জয় করলে আমরাই বাংলাদেশ"। জেগে উঠুন। গ্রামবাসীকে জাগান। ভোট চুরি ঠেকান। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। প্রয়োজনে হারিকেন ও টর্চ লাইট নিয়ে ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে অবস্থান করুন ভোট চুরি ঠেকাতে। জয় আমাদের হবেই ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বাসা একরকম অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর বাসার ভিতর থেকে কোন নেতাকর্মী বের হতে পারছে না। বের হলেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
এদিকে ঢাকা ৯ ও ১৪ আসনে নৌকা প্রতিকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ব্যালট বাক্স ঢোকানো হয়। যেগুলোতে আগে থেকে সিল মেরে রাখা হচ্ছে। আর সকালে জনসাধারণের সামনে খালি থাকা ব্যালট বাক্সগুলো দেখানো হবে।
জেড





