তালপট্টি তুমি কার? বাংলার-বাংলার, মীরজাফরদের কালো হাত ভেঁঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও, দিল্লী না ঢাকা-ঢাকা,ঢাকা। এভাবেই তালপট্টি দ্বীপ ভারতের দখলে যাওয়ার প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার কর্মীরা। আজ (বৃহস্পতিবার)সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, ভোটার বিহীন নির্বাচনে গদিতে বসার সুবাধেই শেখ হাসিনার দালাল সরকার দক্ষিণ তালপট্টি দিল্লীকে নজরানা দিয়েছে।
প্রধান বলেন, সালিশী আদালতের বাহানায় বাংলাদেশের অভিচ্ছেদ্য অংশ তালপট্টি ছেড়ে দেওয়া জাতীয় বিশ্বাস ঘাতকতার শামীল। স্বাধীনচেতা জনগন দেশ বিক্রির এ চক্রান্ত মানবে না।
তিনি বলেন, ভারতীয় দালালদের জানা উচিত দক্ষিণ তালপট্টির অস্তিত্ব ১৯৫৪ সালেই ধরা পড়ে। ৭০ এ তদানীন্তন পাকিস্তানের খুলনা জেলা প্রশাসন নৌ-বাহিনীর সহায়তায় জরীপ চালিয়ে দক্ষিণ তালপট্টির সীমারেখা নির্ধারণ করেন।
১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অফিসিয়ালী এ দ্বীপের মালিকানা দাবী করেন। বাংলার দূর্ভাগ্য মুজিব কন্যার জমানায় বঙ্গবন্ধুর সাধের তালপট্টি ভারতের হাতে ছেড়ে দেওয়া হল।
জনাব প্রধান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী ১৯৭৬’র শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তালপট্টির ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে। ভারত ১৯৮১ সালের ৯ই মে তালপট্টিতে যুদ্ধ জাহাজ প্রেরণ করে। জিয়া হিম্মতের সাথে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেন। দিল্লী যুদ্ধ জাহাজ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। পরিনামে আধিপত্যবাদী চক্রান্তে ১৯৮১’র ৩০ মে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে বুকের রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার ঋন শোধ করে যেতে হয়।
তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ তালপট্টির অস্তিত্ব নাই বলে পার পাওয়া যাবে না। দেশ বিক্রির অপরাধে এ দেশের মাটিতেই নব্য ঘষেটি বেগম ও মীরজাফরদের একদিন বিচার হবেই।
জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান এর পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা’র সহ-সভাপতি খন্দকার আবিদুর রহমান, মাস্টার এম.এ মান্নান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, এডভোকেট মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামাল উদ্দিন, বেলায়েত হোসেন মোড়ল, সানাউল্লাহ সানু, ছাত্রনেতা নাহিদ হাসান, আব্দুর রহমান ফারুকী প্রমুখ।
ঢাকা, ১০ জুরাই (টাইমনিউজবিডি.কম)এসআর
বঙ্গবন্ধুর সাধের তালপট্টিকে দিল্লীর হতে তুলে দিল তারই কন্যা: প্রধান
তালপট্টি তুমি কার? বাংলার-বাংলার, মীরজাফরদের কালো হাত ভেঁঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও, দিল্লী না ঢাকা-ঢাকা,ঢাকা। এভাবেই তালপট্টি দ্বীপ ভারতের দখলে যাওয়ার প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি
ঢাকায় যেসব নাম পরিবর্তন বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এখন থেকে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ’
ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট টানা দেড় দশক স্বৈরাচারি কায়দায় দেশ শাসন করা শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অনেক সড়ক ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নাম পরিবর্তন
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ রাখা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের নাম বদল
পল্টনের বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। নতুন নামকরণ হয়েছে জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা।
বিএসএমএমইউয়ে নতুন নামের ব্যানার, বাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) আগের নামের বদলে নতুন নামের ব্যানার টানানো হয়েছে। ব্যানারে এর নাম দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)।
ঝিনাইদহে ১২৩ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধু টাওয়ারে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
ঝিনাইদহের ১২৩ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধু টাওয়ারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।
















