শনিবার (৫ আগস্ট) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির যৌথ সভায় এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ দলটির অধিকাংশ নেতা উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, অক্টোবরের মধ্যে জেলা এবং উপজেলাগুলোতে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দল গোছানোর কাজ শেষ করবে জাতীয় পার্টি। পাশাপাশি পুরোদমে চলবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতিও। এ জন্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আর বসে না থেকে এখনই যার যার নির্বাচনী এলাকার মাঠ গোছানোর কাজে মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে জাতীয় পার্টির জোটভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিষয়ে মত দেন দলটির একাধিক নেতা। পাশাপাশি জনজীবনের বিভিন্ন সংকট নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে সরব উপস্থিত থাকার পক্ষেও মত দেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এর অংশ হিসেবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি বড় ধরনের সমাবেশ করবে জাতীয় পার্টি।
বৈঠকে একাধিক নেতা বলেন, সরকার ও বিরোধী উভয় বলয়ে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো এখন রাজপথে। জাতীয় পার্টিরও রাজপথে সরব থাকা উচিত। জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকলে ভোটের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যন অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, বৈঠকে আমরা সংগঠন, আন্দোলন এবং নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেছি। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এর আগে আমরা দল গোছানো এবং দলকে শক্তিশালী করা, জেলা ও উপজেলাগুলোতে সম্মেলন শেষ করার কাজে মনোনিবেশ করেছি। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ জনজীবনের নানান সমস্যা নিয়ে রাজপথে থাকার কথাও ভাবছি।
এনএইচ





