আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের পাশে তরুণদের চান দলটির নির্বাচন পরিচালনাকারী সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এমাউদ্দীন আহমেদ। ২৮ এপ্রিল ভোটের দিন তারা ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে ভুল করবেন না বলেও মনে করেন তিনি।
রোববার দুপুরে এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘বৃদ্ধরা যা পারেনি, তরুণদের সেটি করে দেখাতে হবে। ২৮ তারিখে এর সঠিক জবাব পেতে চাই, আশা করি তারা (তরুন সমাজ) ভুল করবে না। তাদের নতুন সৃষ্টিতে আগামী দিনে আলোকিত দেশ দেখতে পাব। এ কাজে ব্যর্থ যেন না হই।’ এজন্য তরুণদের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণে মির্জা আব্বাস এবং উত্তরে তাবিথ আউয়ালকে সমর্থন চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। ‘আদর্শ ঢাকা আন্দোলনে’ এর ব্যানারে তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন। মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রতীক ‘মগ’ আর তাবিথ আউয়ালের প্রতীক ‘বাস’।
জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এই সমাবেশের আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।
‘গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি এবং সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিটি করপোরেশন নির্বাচনের’ দাবিতে এই চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
তিন সিটি করপোরেশনের বিজয় আনতে পারলে ‘ফ্যাসিবাদ’ আপনা-আপনি দূর হবে মন্তব্য করে এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জিততে পারলে ফ্যাসিবাদকে সরাতে অন্য কোনো উপায় বা যন্ত্র লাগবে না। বিজয়ের যে জোশ সৃষ্টি হবে, তাতে ফ্যাসিবাদ এমনিতেই নিশ্চিহ্ন হতে বাধ্য।’
মির্জা আব্বাসের অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ঢাকা দক্ষিণে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোয় তাকে ‘বীর’ আখ্যা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বলেন, ‘আফরোজা বীরত্বের সঙ্গে প্রচারণা চালাচ্ছেন। আজ থেকে তাকে এই আশ্বাস দিতে পারি, আর একা চলতে হবে না। আমরা কাছাকাছি থাকব, অসুবিধা হবে না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপির নির্বাচন পরিচালনাকারী সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব শওকত মাহমুদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
জেআই





