বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক সমস্যা সমাধানে সরকার জাতিকে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্ত করতে চায়। তবে জাতীয় সমস্যা সমাধানে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বিচার বিভাগ-সরকার বাহাস: বাংলাদেশে আইনের শাসনের ভবিষৎ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্স স্টাডিজ এই বৈঠকের আয়োজন করে।
ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘এই সরকার কূটনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ, এই রোহিঙ্গারা দেশের জন্য একটা সমস্যা, দেশের মানুষ চায় তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিতে। বাংলাদেশে আওয়াজ উঠেছে, জাতীয় ঐক্য দরকার। আমাদের দল থেকে প্রস্তাব করেছি, জাতীয় ঐক্যের। জাতীয় সমস্যা জাতীয়ভাবে সমাধান করা হোক। কিন্তু শেখ হাসিনা বিদেশে বসে বলেছেন, আমাদের দল নাকি একটা সন্ত্রাসবাদী, জঙ্গিবাদী দল। অথচ বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহৎ দল।’
মোশাররফ আরো বলেন, ‘বিদেশে গিয়ে বিএনপিকে সন্ত্রাসী এবং জঙ্গি বলা মোটেই সমীচীন নয়। ২০১৪ সালে গায়ের জোরে যেমন ক্ষমতায় গিয়েছিলেন, এবারও দলীয়ভাবে একটা চেষ্টা করছে। যদি আইনের শাসন, গণতন্ত্র, স্থিতিশীল রাজনীতি ও টেকসই উন্নয়ন করতে হয়- তবে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে সহায়ক সরকারের অধীনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে জনগণের সরকার। আজকে চালের মূল্য সহনশীল থেকে শুরু করে সকল সমস্যা, বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখার জন্য জনগণের সরকারের বিকল্প নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাহাস মানে দন্ধ, বিচার বিভাগ ও সরকার বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে। সরকারের লোকেরা প্রধান বিচারপতিকে পাবলিকলি ধমক দিয়েছে। এখন আমরা যদি বলি, এ জন্য বিচারপতিরা রায় পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছেন। এটাকী অতিরিক্ত হবে?
তিনি বলেন, সরকার সব ধ্বংস করেছে, এখন উচ্চ আদালত এবং বিচার বিভাগকেও ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এ জন্য আমরা উদ্বিগ্ন।’
গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন গণস্বস্থ্যেকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ড. দিলারা চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, এড. জয়নুল আবেদিন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ।
জারিফ





