বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, জাতীয় পর্যায়ে চরম বিপর্যয় ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বর্তমান অবস্থা জাতি-রাষ্ট্রে, গনতন্ত্রের জন্য চরম হুমকি। চলমান অনিশ্চয়তার অবসান হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এ কাজে দেশের সকল গণতন্ত্রকামী শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে ‘স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে’বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র কেন্দ্র আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরশনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দেশের সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় সংলাপের কোন বিকল্প নাই।গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বৈরাচার এরশাদকে জনগণ পরাজিত করেছিল, গণবিরোধী সেই স্বৈরাচারকে শাসকশ্রেণী এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। ক্ষমতার জন্য তাকে নিয়ে নানা দরকষাকষি চলছে। এ টানাটানির কারণে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ লজ্জিত, অপমাণিতবোধ করছেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এম.এম. আমিনুর রহমান বলেন, ৯০ এর মুক্ত গণতন্ত্র আজ আবার শৃংখলিত, নিয়ন্ত্রিত। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গণতন্ত্র আজ পদদলিত। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের কাছে গণতন্ত্র আর নিরাপদ নয়। গণতন্ত্র রক্ষার সার্থে আমাদের গণআন্দোলন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নাই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, পতিত স্বৈরাচার’এবং ‘নব্য স্বৈরাচার’মিলে বাংলাদেশের সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করছে। আজকে এই দিনে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার শপথ নিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সোলায়মান সোহেল বলেন, আজ সেই স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস। দেশের গণতন্ত্র আজ আবারও বিপন্ন, গণতন্ত্র বলতে দেশে কিছুই নেই। এই অবস্থায় ৯০এর মত দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।
ছাত্র কেন্দ্রের যুগ্ম সমন্বয়কারী সোলায়মান সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভইয়া, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কল্যাণ পার্টি মহাসচিব এম. এম. আমিনুর রহমান, এনডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ নগর সদস্য সচিব মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, বক্তব্য রাখেন ছাত্র কেন্দ্রের ছাত্র কেন্দ্রে‘র যুগ্ম সমন্বয়কারী আলী নূর নাদিম, স্বরজিৎ কুমার দ্বিপ, গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া, নির্বাহী সদস্য আবুল হোসেন, সীমা আক্তার প্রমুখ।
এআই





