আজ রাজধানীতে দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টি ও জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসাবে এক বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির।
বিক্ষোভ মিছিলটি রামপুরার বনশ্রী সড়ক থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রামপুরা টিভি ভবনের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগীর মজলিশে শুরা সদস্য শামসুর রহমান, পল্টন থানা সেক্রেটারি আমিনুর রহমান, মতিঝিল থানা সেক্রেটারি মুতাসিমবিল্লাহ, শিবিরের ঢাকা মহানগরী পূর্বের সেক্রেটারি সোহেল রানা মিঠু, ছাত্রনেতা ঈমাম হোসাইন, যুবায়ের, আব্দুর রহমান ও জুয়েল প্রমূখহ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোকাররাম হোসাইন খান বলেছেন, সাম্প্রতিক জঙ্গী হামলা, হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যে জনমনে ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সরকার প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে এই ইস্যুতে বিরোধী দল দমনের অপতৎপরতায় লিপ্ত।
আর সরকারের এই নেতিবাচক মনোবৃত্তির কারণেই অপরাধীরা আস্কারা পেয়ে অপরাধ ও জঙ্গী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তাই দেশ ও জাতিকে সন্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদ থেকে বাঁচাতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। তিনি সরকারকে অপরাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান। অন্যথায় দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বই বিপন্ন হতে পারে।
মোকাররাম হোসাইন খান বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদী অপতৎপরতা মোকাবেলায় সরকার আন্তরিক বলে মনে হয় না। এ বিষয়ে সরকারের রহস্যজনক ভূমিকা জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জনগণ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সরকারের দোষারোপের রাজনীতি পরিস্থিতিকে আরো জটিল হতে জটিলতর করে তুলছে।
কিন্তু দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের এই বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে আসার কোন বিকল্প নেই। গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চার অভাবেই হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও জঙ্গীবাদের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এ অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে অবাধ গণতানিন্ত্রক চর্চার কোন বিকল্প নেই।
এআই





