ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার সরকারের সার্বিক গাফিলতি ও দুর্নীতির ফল। ডেঙ্গু যে এবছর বাড়বে, সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতরেরই এর পূর্বাভাষ ছিল। ফলে আগেভাগেই ব্যবস্থা না নেয়াটা বিশাল দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন , গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বর্তমান ডেঙ্গু ও বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ে গণসংহতি আন্দোলনের একটি সংবাদ সম্মেলন তিনি এই আহবান জানান।

তিনি বলেন, পাশাপাশি বানভাসী মানুষের জন্য বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার দাবি জানান তিনি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যাবার পরই, অনেক প্রাণহানি ও জনবিক্ষোভের পর সরকারের টনক নড়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশবাসীকে এমন দুর্যোগের ভেতরে রেখে সপরিবারে বিদেশ ভ্রমণ করছেন। অন্য যে কোন সভ্য দেশে এমন পরিস্থিতিতে কর্তব্যে অবহেলা, দুনীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং অযোগ্যতার দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মেয়রদের পদত্যাগ করতে হতো।

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, এবারের বন্যায় দেশের এক তৃতীয়াংশ ডুবে গেলেও ত্রাণ কার্যক্রম ইতিহাসের অপ্রতুলতম। এখন বন্যার পানি সরে গেলেও মানুষজন বন্যা পরবর্তী রোগ, কর্মসংস্থানহীনতা ও ফসলহানির শিকার। তাদেরকে দুর্ভোগ থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ কার্যক্রম শুরুর দাবি জানান তিনি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, এডিস নিয়ন্ত্রণে জনগণের অংশগ্রহণ, বিশেষকরে তরুণদের যুক্ত করাটা জরুরি। গণসংহতি আন্দোলন ঢাকার উত্তরা, মোহাম্মদপুর ও মিরপুর অঞ্চলে সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, মনির উদ্দীন পাপ্পু, জুলহাসনাইন বাবু, কেন্দ্রীয় সদস্য দীপক রায় ও কেন্দ্রীয় সংগঠক বেলায়েত শিকদারসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।


এএস