দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘সাবধান! মাঠে ৫শ আততায়ি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল মো. আতিকুর রহমান বলেন, জঙ্গিবাদের মত স্পর্শকাতর বিষয়ের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে বানোয়াট প্রচারণা কোন দায়িত্বশীল আচরণের হতে পারে না।

প্রতিবেদনটি সম্পূর্ন ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কোন এক বিশেষ মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই এই ধরনের মিথ্যাচারের অবতারণা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক সুত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "শিবিরের দুই শতাধিক মেসে জঙ্গিরা প্রায়ই অবস্থান নেয়, জঙ্গিদের সাথে সমন্বিত সম্পর্ক গড়ে তোলার কাজ করে শিবির"।

যা সম্পূর্ণ কল্পনা প্রসূত মিথ্যাচার। আমরার বরাবরই বলে আসছি, ছাত্রশিবির সাধারন ছাত্রদের প্রতিনিধিত্বশীল জনপ্রিয় ছাত্র সংগঠন। শিবির নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই তাদের সকল কর্মতৎপরতা পরিচালনা করে এবং কোন প্রকার জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করে না। আমরা লক্ষ্য করছি, এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকলেও প্রতিবেদক তা এড়িয়ে গিয়ে সম্পুর্ণ মনগড়া প্রতিবেদন ছেপেছে।

যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হলুদ সাংবাদিকতার শামিল। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, এসবের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। বরং প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই এই ধরনের মিথ্যাচার কিনা জাতি তা জানতে চায়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিন দেশে চলমান জঙ্গি সমস্যার সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইছে। সকরকারের সিমাহীন ব্যর্থতাকে আড়াল করতে মন্ত্রী-এমপিদের রাজনৈতিক মিথ্যাচার এবং আজকের প্রতিবেদনটি একই সূত্রে গাথা, তাতে সন্দেহ নাই।

কিন্তু, এ ভাবে অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়, বরং এতে করে অপরাধীরা আরো উৎসাহিত হয়। কোন গণমাধ্যম থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মত মিথ্যাচার অনাকাঙ্খিত।

নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।

এমএ