মূল রাজনৈতিক সংকট থেকে জনগনের দৃষ্টি ভঙ্গি সরিয়ে নিতেই চলমান এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন।

রোববার দুপরে জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি আয়োজিত ‘তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে’ এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।’

আব্দুল মালেক বলেন, দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট অব্যাহত রেখে দীর্ঘ দিন পর হঠাৎ করে সরকারের সিটি নির্বাচন ঘোষণা করার মানে হলো ৫ জানুয়ারীর ভোটার বিহীন নির্বাচন ও বর্তমান দেশের মূল রাজনৈতিক সংকট থেকে জনগনের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়া।

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন র্নিদলীয় হওয়া সত্বেও সংসদ নির্বাচনের মতো প্রার্থী মনোনয়ন এবং দলের অনেক প্রার্থীকে চাপ প্রয়োগ করে জোর করে বসিয়ে দেয়া, সরকারের মন্ত্রী এমপিদের নির্বাচনী আচরনবিধি লংঘন যে কোনভাবে নির্বাচন জিততেই হবে নেতা কর্মীদেরকে মন্ত্রীদের এ ধরনের নির্দেশনা থেকে বুঝা যায়, নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠুও নিরপেক্ষ হোক তা সরকার চায়না।

তিনি বলেন, সরকারের আচরণ ও চরিত্র জনসম্মুখে আরেকবার পরিস্কার করা ও আধুনিক সিটি কর্পোরেশন গড়ে তোলার কর্মসূচী প্রচারের জন্য আমরা এ নির্বাচন সমর্থন করেছি এবং ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেককে চট্রগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে শফিউল আলম খোকনকে সমর্থন দান করেছি।

এসময় নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে কিছু প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন তিনি, প্রস্তাবনাগুলো হলো- নির্বাচনকে কালো টাকা ও পেশী শক্তির প্রভামুক্ত রাখা, সকল প্রার্থীকে বিভিন্ন মিডিয়াসহ সফলভাবে প্রচার প্রচারণায় সমান সুযোগ প্রদান করা, নির্বাচনী আচরণ বিধি সকলকে মেনে চলতে বাধ্য করা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, এখন থেকেই তিনটি নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়ন করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, সাবেক এমপি এম এ গোফরান, আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি সিরাজ মিয়া, এস এম রানা প্রমুখ।

এমএ/এমকে