রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেন সাদিক কায়েম।
তিনি বলেন, তিন বছর ধরে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধনের কোনো সার্কুলার নেই। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এনটিআরসিএ নিজেই ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তালিকা করেছে। অথচ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও নিবন্ধনের কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।
সাদিক কায়েমের অভিযোগ, প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে বারবার বিজ্ঞপ্তি আটকে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং সিদ্ধান্তও বারবার পরিবর্তন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত আইএমএফের ‘ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (F&D) সাময়িকীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৩৬ জন বেকার। এমন পরিস্থিতিতে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থাকার পরও নানা টালবাহানায় নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি আটকে রাখা হচ্ছে।
সাদিক কায়েম বলেন, দলকানা সরকার এই নিয়োগে নানারকম এক্সপেরিমেন্ট করে সময়ক্ষেপণ করছে এখন। কিন্তু প্রার্থীদের বয়স তো থেমে নেই। আপনাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও খামখেয়ালি আচরণের খেসারত কেন দেবে তরুণরা?’
এনটিআরসিএ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আর কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, আর কোনো টালবাহানা নয়। অক্টোবরেই NTRCA-র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চাই।
এস











