শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ড্রিম জেনারেশন কনফারেন্স হলে ‘সমন্বিত চিন্তাধারা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি স্টাডি ফোরাম (ইউএসএফ), ঢাকা মহানগরী উত্তরের নর্দান-সাউদার্ন জোন এ সভার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএসএফ ঢাকা মহানগরী উত্তরের নর্দান-সাউদার্ন জোনের সভাপতি ড. একরাম উদ্দিন (সুমন)। সঞ্চালনা করেন জোনের সেক্রেটারি মো. রুহুল আমিন বিশ্বাস।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি স্টাডি ফোরামের উপদেষ্টা মাহফুজুর রহমান ও প্রফেসর আসদুস সালাম। বিশেষ আলোচক ছিলেন জিয়াউল হাসান ও প্রফেসর এ বি এম ফজলুল করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, একটি জাতির অগ্রগতির জন্য শুধু পেশাগত দক্ষতা যথেষ্ট নয়। নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সমন্বিত চর্চা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল শিক্ষাদানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, ইতিবাচক ও সমন্বিত চিন্তাচর্চার কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
মাহফুজুর রহমান বলেন, শিক্ষাঙ্গন ও নাগরিক সমাজের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা গেলে সামাজিক নানা সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রফেসর আসদুস সালাম বলেন, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা এবং নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয় টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক নেতৃত্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে নিয়মিত মতবিনিময়, পাঠচক্র ও জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি প্রয়োজন। যুক্তিবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের বিকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
সভাপতির বক্তব্যে ড. একরাম উদ্দিন (সুমন) বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তার প্রসার এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে ইউএসএফ ভবিষ্যতেও এ ধরনের মতবিনিময় ও জ্ঞানচর্চামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মতবিনিময় পর্বে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। পরে অতিথি ও আলোচকরা তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজেদের মতামত জানান।
এস











