জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি ও স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রব বলেছেন, কোনো এক দলের পক্ষে স্বৈরাচারী সরকার হঠানো সম্ভব নয়। এজন্য বাম-ডান সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঐতিহাসিক ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস উপলক্ষে ‘৩ মার্চ ’৭১ উদযাপন কমিটি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।সভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজ অসুস্থ্যতাজনিত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

উদযাপন কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও শাজাহান সিরাজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সচিব ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজের সঞ্চালনায় আরো আলোচনা করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টিবোর্ড সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, কবি আল মুজাহিদী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বেগম রাবেয়া সিরাজ, সাবেক এমপি হুমায়ুন কবির হিরু, বাংলাদেশ ছিন্নমূল হকার্স সমিতির আহবায়ক কামাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

আব্দুর রব বলেন, দেশে বর্তমানে কোনো গণতন্ত্র নেই। সভা-সমাবেশ করতেও বিরোধী দলগুলোকে অনুমতি নিতে হয়। দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে। সরকার আবারও ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করতে চাচ্ছে। কিন্তু তাদের জন্যই এটি ক্ষতিকর হবে। আইয়ুব, হিটলারের পরিণতি বরণ করতে হবে তাদের।

তিনি বলেন, ২ মার্চের পতাকা উত্তলন, ৩ মার্চের ইশতেহার ঘোষণা না হলে ৭ মার্চের ভাষণের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু এখন শুধু এক ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। অন্যদের কথা বই পুস্তুকেও রাখা হচ্ছে না।

কারণ তাদের সম্পর্কে জেনে গেলে নিজেরা ছোট হয়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো আওয়ামী লীগের দু-চারজন ছাড়া কেউই স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি। তারা চেয়েছিল স্বায়ত্বশাসন।

আ স ম বর আরো বলেন, মাত্র দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে একজনকে জেলে পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু দুই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের বিচার হচ্ছে না। একজনের নামে মামলা চললেও একই সময়ে অন্যদের নামে মামলা হলেও সেগুলো এখন চলছে না।

আবার একটি রায় যেতে যেখানে মাত্র তিন মিনিট লাগার কথা সেখানে ১০ দিনেও যাচ্ছে না। ৫৭ ধারা থেকে ৩২ ধারা করা হয়েছে যাতে সাংবাদিকরা লুটপাট, দুর্নীতির কথা লিখতে না পারেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পতাকা উত্তোলন, ইশতেহার পাঠ সে সময় অনেক সাহসের কাজ ছিল। জীবনবাজি রেখে আ স ম রব, শাজাহান সিরাজরা এটা করেছিলেন, কিন্তু তাদের সে অবদান মূল্যায়ন করা হয় না। ২ মার্চ, ৩ মার্চ জাতীয়ভাবে পালন করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম শাজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রবের কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছে না। ইতিহাস সম্পর্কে তারা সঠিক ধারণা পাচ্ছে না। ইতিহাসকে বিকৃত ও বিস্তৃত করা হচ্ছে। এভাবে কখনো সত্যকে চাপিয়ে রাখা যায় না।

কবি আল মুজাহিদী বলেন, বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বও আজ হুমকির মুখে।

রাবেয়া সিরাজ বলেন, ২ মার্চ, ৩ মার্চসহ জাতীয় দিবসগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। চার খলিফা, মওলানা ভাসানীসহ অন্যদের স্বীকৃতি দিতে হবে।

এমআর

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি ও স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রব বলেছেন, কোনো এক দলের পক্ষে স্বৈরাচারী সরকার হঠানো সম্ভব নয়। এজন্য বাম-ডান সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঐতিহাসিক ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস উপলক্ষে ‘৩ মার্চ ’৭১ উদযাপন কমিটি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজ অসুস্থ্যতাজনিত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

উদযাপন কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও শাজাহান সিরাজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সচিব ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজের সঞ্চালনায় আরো আলোচনা করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টিবোর্ড সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, কবি আল মুজাহিদী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বেগম রাবেয়া সিরাজ, সাবেক এমপি হুমায়ুন কবির হিরু, বাংলাদেশ ছিন্নমূল হকার্স সমিতির আহবায়ক কামাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

আব্দুর রব বলেন, দেশে বর্তমানে কোনো গণতন্ত্র নেই। সভা-সমাবেশ করতেও বিরোধী দলগুলোকে অনুমতি নিতে হয়। দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে। সরকার আবারও ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করতে চাচ্ছে। কিন্তু তাদের জন্যই এটি ক্ষতিকর হবে। আইয়ুব, হিটলারের পরিণতি বরণ করতে হবে তাদের।

তিনি বলেন, ২ মার্চের পতাকা উত্তলন, ৩ মার্চের ইশতেহার ঘোষণা না হলে ৭ মার্চের ভাষণের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু এখন শুধু এক ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। অন্যদের কথা বই পুস্তুকেও রাখা হচ্ছে না। কারণ তাদের সম্পর্কে জেনে গেলে নিজেরা ছোট হয়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো আওয়ামী লীগের দু-চারজন ছাড়া কেউই স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি। তারা চেয়েছিল স্বায়ত্বশাসন।

আ স ম বর আরো বলেন, মাত্র দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে একজনকে জেলে পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু দুই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের বিচার হচ্ছে না। একজনের নামে মামলা চললেও একই সময়ে অন্যদের নামে মামলা হলেও সেগুলো এখন চলছে না। আবার একটি রায় যেতে যেখানে মাত্র তিন মিনিট লাগার কথা সেখানে ১০ দিনেও যাচ্ছে না। ৫৭ ধারা থেকে ৩২ ধারা করা হয়েছে যাতে সাংবাদিকরা লুটপাট, দুর্নীতির কথা লিখতে না পারেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পতাকা উত্তোলন, ইশতেহার পাঠ সে সময় অনেক সাহসের কাজ ছিল। জীবনবাজি রেখে আ স ম রব, শাজাহান সিরাজরা এটা করেছিলেন, কিন্তু তাদের সে অবদান মূল্যায়ন করা হয় না। ২ মার্চ, ৩ মার্চ জাতীয়ভাবে পালন করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম শাজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রবের কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছে না। ইতিহাস সম্পর্কে তারা সঠিক ধারণা পাচ্ছে না। ইতিহাসকে বিকৃত ও বিস্তৃত করা হচ্ছে। এভাবে কখনো সত্যকে চাপিয়ে রাখা যায় না।

কবি আল মুজাহিদী বলেন, বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বও আজ হুমকির মুখে।

রাবেয়া সিরাজ বলেন, ২ মার্চ, ৩ মার্চসহ জাতীয় দিবসগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। চার খলিফা, মওলানা ভাসানীসহ অন্যদের স্বীকৃতি দিতে হবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি ও স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রব বলেছেন, কোনো এক দলের পক্ষে স্বৈরাচারী সরকার হঠানো সম্ভব নয়। এজন্য বাম-ডান সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঐতিহাসিক ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস উপলক্ষে ‘৩ মার্চ ’৭১ উদযাপন কমিটি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজ অসুস্থ্যতাজনিত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

উদযাপন কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও শাজাহান সিরাজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সচিব ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজের সঞ্চালনায় আরো আলোচনা করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টিবোর্ড সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, কবি আল মুজাহিদী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বেগম রাবেয়া সিরাজ, সাবেক এমপি হুমায়ুন কবির হিরু, বাংলাদেশ ছিন্নমূল হকার্স সমিতির আহবায়ক কামাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

আব্দুর রব বলেন, দেশে বর্তমানে কোনো গণতন্ত্র নেই। সভা-সমাবেশ করতেও বিরোধী দলগুলোকে অনুমতি নিতে হয়। দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে। সরকার আবারও ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করতে চাচ্ছে। কিন্তু তাদের জন্যই এটি ক্ষতিকর হবে। আইয়ুব, হিটলারের পরিণতি বরণ করতে হবে তাদের।

তিনি বলেন, ২ মার্চের পতাকা উত্তলন, ৩ মার্চের ইশতেহার ঘোষণা না হলে ৭ মার্চের ভাষণের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু এখন শুধু এক ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। অন্যদের কথা বই পুস্তুকেও রাখা হচ্ছে না। কারণ তাদের সম্পর্কে জেনে গেলে নিজেরা ছোট হয়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো আওয়ামী লীগের দু-চারজন ছাড়া কেউই স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি। তারা চেয়েছিল স্বায়ত্বশাসন।

আ স ম বর আরো বলেন, মাত্র দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে একজনকে জেলে পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু দুই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের বিচার হচ্ছে না। একজনের নামে মামলা চললেও একই সময়ে অন্যদের নামে মামলা হলেও সেগুলো এখন চলছে না। আবার একটি রায় যেতে যেখানে মাত্র তিন মিনিট লাগার কথা সেখানে ১০ দিনেও যাচ্ছে না। ৫৭ ধারা থেকে ৩২ ধারা করা হয়েছে যাতে সাংবাদিকরা লুটপাট, দুর্নীতির কথা লিখতে না পারেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পতাকা উত্তোলন, ইশতেহার পাঠ সে সময় অনেক সাহসের কাজ ছিল। জীবনবাজি রেখে আ স ম রব, শাজাহান সিরাজরা এটা করেছিলেন, কিন্তু তাদের সে অবদান মূল্যায়ন করা হয় না। ২ মার্চ, ৩ মার্চ জাতীয়ভাবে পালন করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম শাজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রবের কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছে না। ইতিহাস সম্পর্কে তারা সঠিক ধারণা পাচ্ছে না। ইতিহাসকে বিকৃত ও বিস্তৃত করা হচ্ছে। এভাবে কখনো সত্যকে চাপিয়ে রাখা যায় না।

কবি আল মুজাহিদী বলেন, বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বও আজ হুমকির মুখে।

রাবেয়া সিরাজ বলেন, ২ মার্চ, ৩ মার্চসহ জাতীয় দিবসগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। চার খলিফা, মওলানা ভাসানীসহ অন্যদের স্বীকৃতি দিতে হবে।