জোটের রাজনীতির বাস্তবতা এনখ আর আগের মতো নেই। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাতকারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এড. আহমেদ আযম খান এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, যেমন সরকারি দলের ১৪ দলীয় জোট সেটাও এখন অকার্যকর। তবে আগামী দিনে যখন চূড়ান্ত আন্দোলন হবে তখন আবার যুগপদ কার্যক্রম হবে।
বিএনপির অনেক নেতাই মনে করেন, এখন জোট কিংবা ফ্রন্ট; দরকার নেই কোনটারই। হিসাব-নিকাশে জোটের রাজনীতিতে লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি। ফলে, দলের কৌশলি অবস্থানে থেকে এড়িয়ে চলছে ২০ দলীয় জোট আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় পর্যায়ে জনসভা করছে বিএনপি। বরিশাল, চট্টগ্রামের পর বৃহস্পতিবার হচ্ছে খুলনাতে। এসব কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ঐক্যফ্রন্টকে; এমনকি দীর্ঘ দিনের মিত্র ২০ দলের শরিকরাও নেই।
নির্বাচনের পর থেকে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ২০ দল। বৈঠক হচ্ছে না ঐক্যফ্রন্টেরও। কাদের সিদ্দিকী ঘোষণা দিয়ে বিদায় নিলেও, ফেরানোর উদ্যোগ নেয়নি কেউ। সব মিলে জোটবদ্ধ রাজনীতিতে আগ্রহ হারাচ্ছে বিএনপি।
এদিকে মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, মামলা-হামলা থেকে শুরু করে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করতে হয় তাদের। জোট-ফ্রন্টের ক’জন নেতার ফেসভ্যালু থাকলেও কর্মী-সমর্থক কম তাদের। এছাড়া ভোটের আগে শুরু হয় মনোনয়ন জটিলতা। অনেকটা বিএনপির ঘাড়ে ভর দিয়েই চলে তারা। অবশ্য, কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, সময় হলেই আবার সক্রিয় হবে ২০ দল আর ঐক্যফ্রন্ট।
বিএনপির কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে। তথ্য সূত্র: যমুনা টিভি।
এসএম





