সিটি প্রধান কতৃক ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও সাঁড়াশি অভিযানের নামে নিজেদের জুলুম নির্যাতনকে আড়াল করতেই পুলিশরাজনৈতিক বিতর্কের আশ্রয় নিচ্ছেপ্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি) এর প্রধান কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এবং যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, টার্গেট কিলিংয়ের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে সিটি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম যে দায়িত্বহীন বক্তব্য দিয়েছেন তাতে জাতি বিষ্মিত।

এটা নিকৃষ্ট মিথ্যাচারের উদাহরণ। নিরীহ ছাত্রদের গ্রেফতারের বৈধতা দেওয়ার জন্য পুলিশ এ নাটক সাজিয়েছে। মাদারীপুরে শিক্ষক হত্যা চেষ্টার সাথে জড়িত গ্রেপ্তারকৃত গোলাম ফয়জুল্লাহ ফাহিমকে পুঁজি করে পুলিশ যে কাল্পনিক রটনা করেছে তাতে সত্যতার লেশ মাত্র নেই। ফয়জুল্লার সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই তা উল্লেখ করে আমরা আগেই বিবৃতি দিয়েছি।

একই সাথে তার গ্রেপ্তারকে পুঁজি করে পুলিশ টার্গেট কিলিংয়ের যে গাল গল্প সাজিয়েছে তারও কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। মোসাদ বা কোন দেশ-বিদেশী সংস্থার সাথে ছাত্রশিবিরের সম্পর্ক খোঁজা বিকৃত মস্তিস্কের উদ্ভট আবিস্কার ছাড়া কিছু নয়। বরং ছাত্রশিবিরই সরকার ও পুলিশের যৌথ টার্গেট কিলিংয়ের শিকার।

দেশ বিদেশে সমালোচিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক সাঁড়াশি অভিযানের নামে জুলুম নির্যাতনকে আড়াল করতেই ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার ঘৃণ্য অপকৌশল গ্রহণ করেছে পুলিশ।

এখানে তিনি নূন্যতম দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেননি। এ ব্যপারে ছাত্রশিবিরের সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকলেও মিথ্যাচারকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণমাধ্যমগুলো তা সচেতন ভাবে এড়িয়ে গেছে। এতে প্রমাণ হয় পুলিশ কর্মকর্তা বা কিছু গণমাধ্যম কোন নিরপেক্ষঅবস্থান থেকে নয় বরং অপরাজনৈতিক অবস্থান থেকে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এই যৌথ অপপ্রচার করেছে। তাদের এই বিতর্কিত অবস্থান জাতি আগেও দেখেছে।

সরকার নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে মনিরুলের মত কিছু দলীয় পুলিশ কর্মকর্তাদেরর ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মূলত মিথ্যাচার করে বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সরকার ও পুলিশ পরিকল্পিত ভাবে উদোর পিন্ডি ভুদোর ঘারে চাপিয়ে ফায়দা হাসিল করতে চাইছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশবাসী দেখছে যে জঙ্গি ও সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে সরকারের মন্ত্রী এমপিরা একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। পুলিশও তাদের মতই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। আর আজ পুলিশ কর্মকর্তার এই কাল্পনিক মিথ্যাচার বিভ্রান্তিকে আরো প্রকট করবে।

এই ধারাবাহিক মিথ্যাচারের কারণে তারা জনগনের নিকট হাস্য রসের পাত্রে পরিণত হচ্ছেন। আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, পুলিশ কর্মকর্তার এ বক্তব্যের সত্যের লেশমাত্র নেই। ছাত্রশিবির নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে।

কোন ধরণের হটকারী কাজ ও পন্থার সাথে ছাত্রশিবির অতীতেও কখনও সম্পৃক্ত ছিলনা এবং বর্তমানেও নেই। পুলিশ কর্মকর্তা যে বক্তব্য মিডিয়ায় দিয়েছেন তার পুরাতন গাল গল্প এবং মিথ্যাচারেরই অংশ।

প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে অন্যদের উপর দোষ চাপানো পুলিশ বাহিনীর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু ছাত্রশিবিরকে জাতির সামনে প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিতর্কিত করার তাদের এ প্রয়াস ভুল প্রমান হবে ইনশাআল্লাহ।নেতৃবৃন্দ আইন-শৃঙ্খলা ও গণমাধ্যমের পবিত্র দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে মিথ্যাচার না করতে ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।