বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন,বর্তমান সরকারের প্রতিবন্ধী অর্থ মন্ত্রী গতকাল সংসদে যে প্রতিবন্ধী বাজেট প্রেস করেছে তা আমরা মানি না ঘৃনা ভরে প্রত্যাখান করি।প্রতিবন্ধী অর্থ মন্ত্রীর কাছে আমরা প্রতিবন্ধী বাজেট চাই না।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভাটির আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন,যে বাজেটে রিজার্ভ চুরির মত এত বড় ঘটনাকে আড়াল করা হয়েছে। আর সেই ঘটনার জন্য যে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কথা ছিল তিনি সেটা না করে নির্লজ্জের মত গতকাল যে আকাশ চুম্বি বাজেট প্রেস করেছে বাংলাদেশের জনগন সেটাকে প্রত্যাখান করেছে আমরাও সেটা মানি না। তিনি (অর্থমন্ত্রী)শারীরিকভাবে না হলেও মানসিক ভাবে প্রতিবন্ধী।

এই বাজেট গ্রহনযোগ্য নয় জাতীয় পার্টির চেয়াম্যান এরশাদের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি এবং তার চৌদ্ধ গোষ্ঠী এই সরকারের দাস।তাদের মখে এমন কথা মানায় না।

কাউন্সিল শেষ হলেও নিজ দলের সব ধরনের কমিটি দেরিতে ঘোষনার কারন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি দিয়ে ত্যাগী ও রাজপথের নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে যে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করবেন আগামী দিনে সেই কমিটির মাধ্যমেই এই অগণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটনো হবে।

তিনি বলেন,শিক্ষা বিভাগে এই সরকার ৯০ভাগ হিন্দুদের নিয়োগ দিয়েছে।এটা কি হিন্দুদের দেশ। যে দেশের ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমান সেই দেশের জনগন এটা মেনে নিতে পারে না।

সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাবেক সাংসদ শাহ মোহাম্মাদ আবু জাফর, আবুল কালাম আজাদ, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতউল্লাহ, সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি এড. খন্দকার শফি নেওয়াজ নাছির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন, শাকিল আহমেদ, সাজু, রাসেল খান, শরীফুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, হাফিজ, যুব দলের কেন্দ্রীয় নেতা এইচ এম সাইফ আলী খান প্রমুখ।

এমবি