কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রোলবোমায় নিহতদের মধ্যে দুজন যশোরের। তারা হলেন- শহরের ঘোপ এলাকার নূরুজ্জামান পপলু (৫০) ও তার মেয়ে মাইশা (১৫)। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন পপলুর স্ত্রী মাহফুজা বেগম মিতা।

নিহত পপলুর ছোট ভাই যশোর শহর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুজ্জামান ডাব্লু বলেন, ‘ভাই, ভাবী ও তাদের মেয়ে চার দিন আগে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে তারা সেখান থেকে ফিরছিলেন। প্রাথমিক খবর জানার পর আমার বড়ভাই পাট গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক আসাদুজ্জামান ও এক ভগ্নিপতি ঢাকা থেকে ভোরে কুমিল্লা রওনা হন। তারা কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে কিছু সময় আগে লাশ দুটি শনাক্ত করেছেন।’

নূরুজ্জামান পপলু পেশায় ঠিকাদার ছিলেন। শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডে তার বাড়ি। তিনি শহরের অতিপরিচিত মুখ। তার মেয়ে মাইশা যশোর পুলিশ লাইন হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ত।

পপলুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা, মা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকা। তারা এখনও দুর্ঘটনার খবর জানেন না।

পপলুর ভাই কামরুজ্জামান ডাব্লু বলেন, ‘ভাবি মাহফুজা বেগম মিতার হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে গেছে। তবে তিনি আশঙ্কা মুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গতরাতে আইকন নামে একটি বাসে দুর্বৃত্তদের পেট্রোলবোমা হামলায় সাতজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন। বাসটি কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসছিল। এই বাসের যাত্রী ছিলেন পপলু পরিবার।

এএইচ