ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা হয়নি। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ঘোষণা দিয়েছিলেন ১৬ নভেম্বরের (রবিবার) পর রাজধানীতে আর যুবলীগের ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যাবে না। কিন্তু তার ঘোষিত সময়সীমা পার হলেও নগরীর শোভা পাচ্ছে যুবলীগের ব্যানার-ফেস্টুন। রাজধানীর প্রধান প্রধান রাস্তা থেকে শুরু করে অলিগলি সবখানেই ছেয়ে রয়েছে যুবলীগের ব্যানার-ফেস্টুন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী শনিবার নেতাকর্মীদের বিলবোর্ড দখল করে লাগানো পোস্টার-ব্যানার খুলে ফেলার এ নির্দেশ দিয়েছিলেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা শহরজুড়ে এ সব পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছিল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ ১৫ নভেম্বর শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর মন্তব্য জানার জন্য টেলিফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেছেন, ‘আমরা আমাদের কর্মীদের বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছি। অনেকগুলো ইতোমধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অনেক বিলবোর্ডতো, তাই সরিয়ে ফেলতে সময় লাগছে। আশা করি, আজকালের মধ্যে বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলা হবে।’

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সোমবার ঘুরে দেখা গেছে, নগরজুড়ে এখন শোভা যাচ্ছে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার-পোস্টার ও ফেস্টুন। বিশেষ করে মতিঝিল, গুলিস্তান, পুরানা পল্টন, মৎস্য ভবন, কাকরাইল, শাহবাগ, ফার্মগেটসহ ঢাকা মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়কের পাশাপাশি বনানী চেয়ারম্যান বাড়ির রাস্তার বিলবোর্ডেও শোভা যাচ্ছে যুবলীগের পোস্টার। ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টার। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুরেও অনেক বিলবোর্ড দেখা গেছে।

এ সব ব্যানার-পোস্টার ও ফেস্টুনে শোভা পাচ্ছে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্র্রাট, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের ছবি।

এ বিষয়ে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্র্রাট বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বিলবোর্ড সরানোর কাজ শুরু করেছি। আশা করি, আজকালের মধ্যেই সকল বিলবোর্ড অপসারণের কাজ শেষ হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা কাজ শুরু হয়েছে। শেষ হতে তো দু’একদিন সময় লাগবে, তাই না। একটু সময় দেন, দেখেন। আর কোনো বিলবোর্ড থাকবে না।’

এএইচ