যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন কার্যক্রমকে অতিগুরুত্বের সাথেই দেখছে। এ সরকারের মেয়াদেই এ শান্তি চুক্তির পুরো বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের তিন জেলাকে নিবিড় সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে অবশিষ্ট উন্নয়ন কর্মকান্ড দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার জেলা সদর থেকে ২৭ কিলোমিটার দুরে বান্দরবান-থানছি সড়কের চিম্বুক সেনা ক্যাম্পের পাশে ‘চিম্বুকে সুর্যোদয়’ নামের একটি ফলক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী মুস্তফা কামাল বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল ওহাবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সেনা প্রকৌশল নির্মাণ কোরের প্রধান প্রকৌশলী মেজর জেনারেল আবদুল কাদির, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী,পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা, জেলা প্রশাসক কেএম তারিকুল ইসলাম,পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য্য এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এম আবদুল কুদ্দুছসহ উর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কের সম্প্রসারণের মাধ্যমে ক্রমশ এশিয়ান হাইওয়েজের সাথে যুক্ত করার আশ্বাস প্রদান করেন।
সেনা প্রকৌশল নির্মাণ ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, ৫৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণ, ৪২ মিটার দীর্ঘ আয়তনের ৬টি পাইপ কালভার্ট, ২৯০ মিটার দীর্ঘ আয়তনের ৫টি বেইলী সেতু এবং ২১৬ দশমিক ৪৪ মিটার দীর্ঘ একটি আরসিসি সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯৩কোটি ৮৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরামর্শে ১৬ ও ১৭ সেনা প্রকৌশল নির্মাণ ব্যাটালিয়নের সৈনিকরা দেশের অন্যতম সুউচ্চ পাহাড়ের ওপর(২০০০-৩০০০ফুট উঁচুতে) এ নতুন সড়কপথ নির্মাণ করেন। এ সড়ক নির্মাণের সময় পাথর চাপায় নিহত হন সেনা সার্জেন্ট আবদুস সাত্তার। এ সড়ক পথ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে এবং কাজ শেষ হয় ২০১২ সালের জুন মাসে।
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সেনা প্রকৌশল নির্মাণ ইউনিট থানছি-আলীকদম, পোয়ামুহুরী, তিন্দু, লিক্রেঝিরি, রেমাক্রি ও বড়মদক এলাকাসমুহে সড়কপথ নির্মাণ কাজ করছে।
[b]ঢাকা, ২৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
রাজনীতি
'চলতি মেয়াদে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পুরো বাস্তবায়ন'
যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন কার্যক্রমকে অতিগুরুত্বের সাথেই দেখছে। এ সরকারের মেয়াদেই এ শান্তি চুক্তির পুরো বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। তিনি বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের তিন জেলাকে নিবিড় সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায়





