বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন,আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়েও মনোনয়ন পায়।তারা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে তাহলে বিএনপির প্রার্থীরা কেন করতে পারবে না।
আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেও, তার মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটি বাতিল করেন।
এ সময় তিনি বলেন, হাজী সেলিম সাহেব ১৩ বছরের জেল নিয়ে যদি নির্বাচন করতে পারে, পঙ্কজ দেবনাথ আমার সঙ্গে দুদকের মামলায় প্রায় দুই, আড়াই বছর জেলে ছিলেন। দুদকের মামলায় তারও ১২ বছরের জেল আছে। পঙ্কজ দেবনাথ, হাজী সেলিম যদি নির্বাচন করতে পারে তাহলে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ইকবাল হাসান টুকুসহ বিএনপি নেতারা কেন নির্বাচন করতে পারবেন না?
এসময় দুলু আরও বলেন, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এরকম ষড়যন্ত্র হবে ধারণা করেই বিএনপির এক আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপির অনেকেরই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমে দেখলাম আওয়ামী লীগ ঘরানার পত্রিকার একজন সম্পাদক বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতার পরে একসঙ্গে এতোগুলো মনোনয়নপত্র কখনও বাতিল হয়নি। অর্থাৎ সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একটা নির্বাচন চেয়েছিল। বিএনপি যেন নির্বাচনে না আসে। তাহলে ৫ বছরের জন্য তারা আবার ক্ষমতায় থেকে যেতে পারে।
তার মনোনয়নপত্র কেন বাতিল করা হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আবার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমার নাকি মামলা আছে। আমি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। কিন্তু গত একবছর আগে আমি এটা সাসপেনশন করেছি এবং সাসপেনশন করলে নির্বাচন করতে কোনও সমস্যা নেই।
তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারের কাছে আমরা যখন কাগজ জমা দিতে গেছি। আমরা জানতে চেয়েছি, কি কারণে আমাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো? বলল, আপনারা আপিলে গিয়ে এই কথাগুলো বলুন।এক্ষেত্রে সরকার আমাদেরকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগই দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাই- সরকার যত ষড়যন্ত্রই করুক না কেন, আমরা বিশ্বাস করি যে, সমস্ত অভিযোগে অভিযুক্ত করে আমাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন অবশ্যই এগুলো তদন্ত করে, দেখে আমাদের মনোনয়নপত্র বহাল করবেন।
আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করলাম। এখানে সুবিচার না পেলে আদালতে আপিল করবো।
এম বিল্লাহ





