গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বিএনপি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাঁওতালদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করে দলটি।

শনিবার বিকালে এক বিবৃতিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গাইবান্ধায় সাঁওতাল সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর হামলা এবং পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলি ও পিটুনিতে চারজন সাঁওতালের মৃত্যু যে বাংলাদেশের মতো স্বাধীন রাষ্ট্রে ঘটতে পারে, তা ভাবলেই আঁতকে উঠতে হয়। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশেই গাইবান্ধার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে বলে দেশবাসী বিশ্বাস করে। এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা পাকিস্তান আমলের গণহত্যাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।’

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এ ধরনের আক্রমণ সব সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ করা কেবল আওয়ামী লীগের পক্ষেই সম্ভব। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর আশ্রিত লোকজনদের দ্বারা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর হামলা, তাদের উপাসনালয়ে আক্রমণ ও বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর অবিরামভাবে ঘটে চলেছে। বর্তমানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জীবন, সহায় সম্পত্তি ও মান সম্মান চরম হুমকির মুখে।’

গত ৬ ও ৭ নভেম্বর গাইবান্ধা জেলার সাহেবগঞ্জ ও বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতাল পল্লীতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের গুলি ও পিটিয়ে চারজন সাঁওতাল আদিবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও দাবি জানান তিনি।

জারিফ