আওয়ামী লীগের সাধরণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করছেন দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা ফ্লাইওভার পরিদর্শনে এসে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশে এই প্রথম ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অন্য কোনও সংগঠনে এ ধরনের নজির নেই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বালিশ ও পর্দা দুর্নীতির সঙ্গে কোনও মন্ত্রী-এমপি জড়িত নয়। অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
দুর্নীতির অভিযোগে অনেক মন্ত্রী-এমপি দুদকে হাজিরা দিচ্ছেন। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সম্মেলনের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে কিছু জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন সম্মেলন বাকি আছে। জাতীয় সম্মেলনের আগেই এ সম্মেলনগুলো সম্পন্ন করা হবে। আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
ওবায়দুল কাদে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ১৭৫ প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই নোটিশের জবাব পাওয়ার পর বিদ্রোহীদের যারা মদত দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদেরও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘৩৭৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে ভুলতা চার লেন ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য ও যানজট নিরসনে ফ্লাইওভারটি খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যেকোনও সময় এটি উদ্বোধন করবেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেন করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অচিরেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চার লেনের কাজ শুরু হবে। এই সড়কের কাজ সম্পন্ন হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট থাকবে না।’
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন— ভুলতা ফ্লাইওভারের প্রকল্প পরিচালক গোলাম হায়দার রিয়াজ, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো, হারুনুর রশিদসহ সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এএস





