জনগণই সব ক্ষমতার উৎস হলেও বর্তমানে সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে র‌্যাব, পুলিশ ও সরকারী আমলারা। আওয়ামী লীগ তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে কমল একাডেমী আয়োজিত "বাক স্বাধীনতা, নাগরিক নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র বাঁচাতে পেশাজীবী-রাজনীতিবিদ-সমাজকর্মীদের ভূমিকা" শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশে এই মুর্হুতে আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ করতে হলে জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সমগ্র জাতি এই সরকারকে ঘৃণা করে। কিন্তু গুম হত্যার ভয়ে কেউ মুখে কিছু বলছে না।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কর্নেল তাহের ও ইনুরা স্বশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। আজ তারাই বড় আওয়ামী লীগের অংশীদার। শেখ হাসিনা একটি কথা বললে ইনু আগ বাড়িয়ে আরো দুটি কথা বলেন।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি সুপ্রীম লিডার নাকি পাঠক হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন আমি সেই বিতর্কে যেতে চাই না। জাতির সেই ক্রান্তিলগ্নে তিনি যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন তাহলে মুক্তিযুদ্ধ ব্যর্থতায় পর্যবশিত হত।

দেশের বর্তমান বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ড প্রশঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, আগে আওয়ামী লীগের নেতারা আগে স্বীকারই করতো না দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ড চলছে কিন্তু আজকে যখন তাদের নিজেদের নেতা কর্মীরা এর স্বীকার হচ্ছে তখন সুরঞ্জীত এবং তাপস স্বীকার করছে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান মাইনুল আহসান মুন্নায় সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নারী নেত্রী রাশেদা বেগম হীরা, ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন প্রমূখ।

এমএ/এসএইচ