[b]ঢাকা: [/b]রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত কর্মী আনারুল ইসলামকে গুলি করে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই জামায়াত নেতা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ মাছের ঘের থেকে জামায়াত কর্মী আনারুল ইসলামকে ধরে এনে গুলি করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। নিজের ব্যবসাস্থল থেকে ধরে এনে এভাবে ঠাণ্ডামাথায় মানুষ হত্যা অত্যন্ত নির্মম ও মর্মান্তিক। আমি এ বেদনাদায়ক এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দায়ী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন,সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিরীহ মানুষকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে প্রমাণ করেছে,দেশে চলছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। সরকারের এই হিংস্র আচরণ থেকে কোনো মানুষই নিরাপদ নয়। সরকার জোর গলায় নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখছে,অথচ নিজেই মানুষ হত্যা করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।
দেশে সরকারি দলের লোকজন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে বিরোধী দলের ওপর দায়ভার চাপানোর ষড়যন্ত্র করছে। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ জামায়াত ও শিবিরকে সন্ত্রাসের জন্য দায়ী করে মাঝে মাঝে চায়ের কাপে ঝড় তোলেন। তাদের কাছে জাতির জিজ্ঞাসা,সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলাকারী এ সন্ত্রাসীরা কারা? বাংলাদেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করুন।
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবেন না। এই সর্বনাশা খেলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত জামায়াত কর্মীর শাহদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারে তিনি গভীর সমবেদনা জাপন করেন।
তিনি এসব মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। নইলে গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করে সব দাবি আদায় করা হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।