বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে ২৩ শর্তে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান।
আজ (শনিবার) নয়া পল্টন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অনুমতির কথা জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবো। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমাদের সমাবেশের ব্যাপারে নানা টালবাহানা করছে এবং উস্কানিমূলক কথা বলে আসছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সমাবেশ জাতীয়ভাবে খুব গুরুত্ববহ। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার যে বাণী আমরা তা জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে চাই। আশা করি জনগণকে আমরা সেই ম্যাসেজ দিতে পারবো।
সমাবেশের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। সমাবেশের ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। তবে অন্যবারের চেয়ে এবার আগেই সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় ডিএমপিকে ধন্যবাদ। এসময় তিনি পুলিশের কাছে সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোনো উস্কানি দিয়ে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করবেননা। যাতে সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আযম খান, আতাউর রহমান ঢালি, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশিদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল সহ অন্যরা।
এর আগে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে জানতে আজ শনিবার সকালে ডিএমপির কার্যালয়ে যান বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এবং প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। পরে ডিএমপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতিপত্র তাদের দেয়া হয়। সেটি নিয়ে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
উল্লেখ্য, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশ কর্মসূচি দুই দফা পিছিয়েছে ১২ নভেম্বর (রোববার) সমাবেশের অনুষ্ঠিত চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
এমবি





